অনস্ক্রিন কাপল হিসেবে তাদের ভাবতে পারেন

বলিউডে পরিচালক ও প্রযোজকের মতোই গুরুত্ব রয়েছে কাস্টিং ডিরেক্টরের। অর্থাৎ, যারা ছবিতে অভিনেতা কে হবেন, তা বাছাই করেন। অনস্ক্রিনে হিরো-হিরোইনের কেমিস্ট্রি না জমলে ফিল্ম জমে না। বলিউডের কোনও কোনও ছবি জুটির জন্যই হিট করে যায়। আবার কিছু ছবির সব ভাল হয়েও, জুটির কেমিস্ট্রি না থাকায় মনে দাগ কাটে না। ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকার খবর অনুযায়ী গ্যালারির পাতায় তুলে ধরা হলো বলিউডের কিছু ‘মিসম্যাচড’(অমিল) জুটি। যদিও দর্শকদের দ্বিমত থাকতেই পারে।
‘রোবট’ ছবিতে রজনীকান্তের প্রেমিকা ও পরে স্ত্রীর ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে। কী হত যদি, ঐশ্বরিয়ার জায়গায় অভিনয় করতেন রেখা বা হেমা মালিনী?এই একটি ছবিতেই একসঙ্গে কাজ করেছেন রজনীকান্ত ও ঐশ্বরিয়া। জুটি অন-স্ক্রিনে হিট না করার জেরেই হয়তো ছবির পরের পার্ট ‘টু পয়েন্ট ও’-তে ঐশ্বরিয়া বাদ পড়েছেন।

২০০৮ সালে ‘কিসমত কানেকশন’ নামে একটি ছবি মুক্তি পেয়েছিল। চকোলেট বয় শহিদ কাপুরের বিপরীতে বিদ্যা বালান। এই ছবি যতটা ফ্লপ(ব্যর্থ) হয়েছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি ফ্লপ ছিল অনস্ক্রিন কাপলের কেমিস্ট্রি। এ কারণেই হয়তো আর তাদেরকে কোনও ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে দেখা যায়নি।

‘ওয়েক আপ সিদ’ বলিউডের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছবি। তবে অনস্ক্রিন কাপল হিসেবে দেখানো হয়েছিল রণবীর কাপুর ও কঙ্কনা সেন শর্মাকে। ছবির গল্প অনুযায়ী বন্ধুত্ব এমন দু’জনের মধ্যে যাদের মানসিকতা একেবারেই আলাদা। অভিনয় নজর কাড়লেও, জুটির কেমিস্ট্রি দর্শকদের পছন্দ হয়নি বলেই হয়তো এখনও দ্বিতীয় ছবিতে তাদের একসঙ্গে দেখা যায়নি।

২০০৯ সালে শহিদ কাপুরের সঙ্গে জুটি বেঁধে রানি মুখোপাধ্যায়ও একটি ছবি করেছিলেন। ছবির নাম ‘দিল বোলে হাড়িপ্পা’। অনস্ক্রিন কাপল হিসেবে এই জুটিও একেবারেই অসফল। দর্শকদের মনে দাগ না কাটার জেরেই হয়তো এখনও স্ক্রিনে একসঙ্গে দেখা যায়নি তাদের।

বয়সের কথা যে মাঝে মাঝেই বলিউডের কাস্টিং ডিরেক্টররা ভুলে যান, তার প্রমাণ এই জুটি। ২০১১-তে ‘থ্যাঙ্ক ইউ’ নামের একটি ছবিতে জুটি বেঁধেছিলেন অক্ষয় কুমার ও সোনম কাপুর। ছবিতে তাদের কোনও কেমিস্ট্রি ছিল না বললে ভুল বলা হবে না।

Add Comment