শীতে ত্বকের সজীবতা ধরে রাখার উপায়

অন্যান্য ঋতুর চেয়ে শীতকালে ত্বক বেশি শুষ্ক হয়। এসময় ত্বকের চামড়া উঠে যায় এবং চুলকায়। এজন্য ত্বকের বিশেষ যত্ন নেওয়ার দরকার হয়। শীতে ত্বকের উজ্জ্বলতা ও সজীবতা ধরে রাখতে বেশকিছু পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের মুম্বাইয়ের এসএল রাহেলা হসপিটালের চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. রিংকি কাপুর।

যা করতে হবে: স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও সজীবতা ধরে রাখতে ত্বকের ধরন অনুযায়ী যত্ন নিতে হবে।

এলোভেরাযুক্ত ক্লিনজার : ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে ভালোমানের ক্লিনজার ব্যবহার করতে হবে। ত্বক পরিষ্কারের জন্য এলোভেরাযুক্ত জেল ব্যবহার করতে পারেন। এলাভেরা ত্বককে কোমল এবং স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তোলে।

ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম : শীতকালে ত্বকের উপরিভাগের চামড়া খুব রুক্ষ হয়ে যায়। এজন্য আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম, লোশান, ফেসওয়াশ ব্যবহার করতে হবে। যাদের ত্বক তৈলাক্ত তারা শীতে হালকা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করতে পারেন।

সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার : আমরা সবাই শীতের রোদ উপভোগ করি। অনেক সময় সেই কিরণ ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এজন্য বাইরে যাওয়ার ১৫ মিনিট আগে সানস্ক্রিন ক্রিম ব্যবহার করতে হবে যাতে ত্বক সানস্ক্রিন ভালোভাবে শোষণ করে নিতে পারে। রোদ থেকে ত্বককে রক্ষা করার জন্য এভাবে ২-৩ ঘণ্টা পর পর ব্যবহার করতে হবে।

নারিশিং ক্রিম : শুষ্ক ত্বকের যত্ব নেওয়ার জন্য প্রতিদিন রাতে নারিশিং ক্রিম ব্যবহার করুন। ভালো ব্র্যান্ডের এন্টি-এইজিং ক্রিম সামান্য পানির সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে ম্যাসাজ করুন। নারিশিং ক্রিমটি কেনার আগে অবশ্যই ভিটামিন ‘ই’ সমৃদ্ধ কিনা তা দেখে নেবেন।
অতিরিক্ত রুক্ষ ত্বকের যত্ন: যাদের ত্বক অতিরিক্ত রুক্ষ এবং টানটান তারা সাবান ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। সাবানের পরিবর্তে বডিওয়াশ বা বেবিওয়াশ ব্যবহার করতে পারেন।

গোসলের আগে নারিকেল তেল বা বেবি অয়েল সারা শরীরে মাখুন। এতে ত্বক রুক্ষ হওয়া থেকে রক্ষা পাবে।

গোসলের পর শরীর ভেজা ভেজা অবস্থায় লোশন ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের আর্দ্রতা ভাব ঠিক থাকবে।

শীতে পায়ের বাড়তি যত্নের প্রয়োজন হয়। হালকা গরম পানিতে পা কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। এরপর লোফা দিয়ে ঘষে পায়ের গোঁড়ালির মরা কোষ তুলে ফেলুন। রাতে পায়ে লোশন লাগিয়ে মোজা পরুন। পায়ের ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখবে।

Add Comment